মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম।আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সুস্হ আছেন।
আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্দী,হুইল চেয়ারে চলাচল করি।
আপনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,তাই আপনাকেই বলছি।২০০১ সালে আপনি প্রতিবন্দীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,
”প্রতিবন্দীরা বোঝা নয়,দেশের সম্পদ।ওরা পড়াশুনা করে চাকুরী করবে,দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
সরকার প্রতিবন্দীদের চাকুরীতে বিশেষ কোটা সুবিধা দিবে।”
ধন্যবাদ আপনাকে,সুন্দর এই স্বপ্ন দেখানোর জন্য।তাই আজ অবধি স্বপ্ন দেখছি।অনার্স ও মাস্টার্স শেষ প্রায় তিন বছর
হলেও আমি আজ অবধি বোঝাই রয়ে গেলাম।আর মাত্র কয়েক মাস পরেই হয়তো আমার স্বপ্নটাও শেষ হয়ে যাবে।
অতএব,আপনার কাছে প্রার্থণা করছি যে,আমাকে আমার যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করে আপনার দেখানো
স্বপ্নটা বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।
বিনীত,
মো:জুলফিকার হায়দার
আমি আপনার এবং দায়িত্ব পালনকারীদের অবগতির জন্য কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরছি :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ থাকলেও তা অনেক বিজ্ঞপ্তিতে মানা হয়না।যেমন,গত ০৮ নভেম্বরে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ মানা হয়নি।অথচ এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক।এরকম অনেক বিজ্ঞপ্তিতেই এই বয়সসীমা মানা হয়না।
২.প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দ বিশেষ কোটা কী শুধু আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
আমি প্রায় ১০০ চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি।লিখিত পরীক্ষায় উওীর্ণ হয়েও এখনো কোন চাকরি পাইনি।
আজ ২২ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত “স্নাতক পাস করলেও কাজ জুটছে না” শিরোনামে একজন প্রতিবন্দীর অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।এজন্য ধন্যবাদ প্রথম আলোকে।যদিও আমি অনেক চেষ্টা করেও প্রথম আলোকে আমার পাশে পায়নি।
প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোটা অনুযায়ী গত ১ বছরে কতজন প্রতিবন্দী নিয়োগ পেয়েছে এবং কতজন নিয়োগ পাওয়ার কথা।এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন,প্লিজ।
৩.প্রতিবন্দীরা অন্য সবার সাথে প্রতিযোগিতা করছে,অন্য সবার মতই কখনো ৪র্থ বা ৫ম তলায় উঠে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আবার প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে ঘাতক ব্যাধি দুর্নীতির ডাল-পালার সাথে,যারা মোবাইল এসএমএস ব্যবহার করছে,
প্রশ্ন ফাস করছে,ইত্যাদি।
পরিশেষে,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সকল কর্তাগণকে বলছি,কোন এক সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।আমিও অর্থনীতির ছাত্র।
প্রতিবন্দীদের কাজে লাগান,এরা অন্যরকম মেধাবী।প্রয়োজনে প্রতিবন্দীদের জন্য বছরে একটা আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিবেন।প্রতিবন্দী কোটা ও অন্যান্য সকল আইন পালনে নির্দেশ দিন এবং খোজ নিন।আপনার কাছে শুধু প্রতিবন্দীরাই নয়, সমগ্র জাতিই আশা করে আছে।আপনার যোগ্যতায় কোন সন্দেহ নাই।
এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ,পিছিয়ে থাকবে না প্রতিবন্দীরাও।
আল্লাহ হাফেজ।
আসসালামু আলাইকুম।আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সুস্হ আছেন।
আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্দী,হুইল চেয়ারে চলাচল করি।
আপনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,তাই আপনাকেই বলছি।২০০১ সালে আপনি প্রতিবন্দীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,
”প্রতিবন্দীরা বোঝা নয়,দেশের সম্পদ।ওরা পড়াশুনা করে চাকুরী করবে,দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
সরকার প্রতিবন্দীদের চাকুরীতে বিশেষ কোটা সুবিধা দিবে।”
ধন্যবাদ আপনাকে,সুন্দর এই স্বপ্ন দেখানোর জন্য।তাই আজ অবধি স্বপ্ন দেখছি।অনার্স ও মাস্টার্স শেষ প্রায় তিন বছর
হলেও আমি আজ অবধি বোঝাই রয়ে গেলাম।আর মাত্র কয়েক মাস পরেই হয়তো আমার স্বপ্নটাও শেষ হয়ে যাবে।
অতএব,আপনার কাছে প্রার্থণা করছি যে,আমাকে আমার যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করে আপনার দেখানো
স্বপ্নটা বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।
বিনীত,
মো:জুলফিকার হায়দার
আমি আপনার এবং দায়িত্ব পালনকারীদের অবগতির জন্য কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরছি :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ থাকলেও তা অনেক বিজ্ঞপ্তিতে মানা হয়না।যেমন,গত ০৮ নভেম্বরে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ মানা হয়নি।অথচ এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক।এরকম অনেক বিজ্ঞপ্তিতেই এই বয়সসীমা মানা হয়না।
২.প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দ বিশেষ কোটা কী শুধু আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
আমি প্রায় ১০০ চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি।লিখিত পরীক্ষায় উওীর্ণ হয়েও এখনো কোন চাকরি পাইনি।
আজ ২২ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত “স্নাতক পাস করলেও কাজ জুটছে না” শিরোনামে একজন প্রতিবন্দীর অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।এজন্য ধন্যবাদ প্রথম আলোকে।যদিও আমি অনেক চেষ্টা করেও প্রথম আলোকে আমার পাশে পায়নি।
প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোটা অনুযায়ী গত ১ বছরে কতজন প্রতিবন্দী নিয়োগ পেয়েছে এবং কতজন নিয়োগ পাওয়ার কথা।এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন,প্লিজ।
৩.প্রতিবন্দীরা অন্য সবার সাথে প্রতিযোগিতা করছে,অন্য সবার মতই কখনো ৪র্থ বা ৫ম তলায় উঠে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আবার প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে ঘাতক ব্যাধি দুর্নীতির ডাল-পালার সাথে,যারা মোবাইল এসএমএস ব্যবহার করছে,
প্রশ্ন ফাস করছে,ইত্যাদি।
পরিশেষে,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সকল কর্তাগণকে বলছি,কোন এক সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।আমিও অর্থনীতির ছাত্র।
প্রতিবন্দীদের কাজে লাগান,এরা অন্যরকম মেধাবী।প্রয়োজনে প্রতিবন্দীদের জন্য বছরে একটা আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিবেন।প্রতিবন্দী কোটা ও অন্যান্য সকল আইন পালনে নির্দেশ দিন এবং খোজ নিন।আপনার কাছে শুধু প্রতিবন্দীরাই নয়, সমগ্র জাতিই আশা করে আছে।আপনার যোগ্যতায় কোন সন্দেহ নাই।
এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ,পিছিয়ে থাকবে না প্রতিবন্দীরাও।
আল্লাহ হাফেজ।