Thursday, May 31, 2018

মাশরাফি ও সাকিব নির্বাচন করার কারন।

                  মাশরাফি ও সাকিব আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করছেন!





দ্যা ডেইলি স্টার পত্রিকায় দেখলাম,মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেছেন মাশরাফি ও সাকিব আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে যাচ্ছে।
নিউজটি আসার পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখছি।
তাই স্বাভাবিকভাবেই আমার মাথাতেও কিছু কাজ করছে।
১.মাশরাফি ও সাকিব নির্বাচন করছেন আর ঘোষণা দিলেন অন্য একজন।
প্রশ্নঃ তাঁরা সত্যিই নির্বাচন করবেন?
২.মাশরাফি ও সাকিব যদি মনে করেন ক্রিকেটের জন্য আমরা অনেক কিছু করেছি।এখন আমাদের দেশের জনগণের সেবা করা দরকার।তাই নির্বাচন করতে চাই।
প্রশ্নঃ সেবা করার জন্য কি নির্বাচিত হওয়া জরুরি?
৩.অনেকের মতে মাশরাফি ও সাকিব বংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণের, তাঁরা আওয়ামী লীগ এর হয়ে কেন?
প্রশ্নঃ তাহলে বিএনপি বা অন্য কোনো দলের হয়ে কেন?
৪.অনেকের মতে,বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিতে প্রবেশ করে তাঁরা নিজেদের কলূষিত করবেন।
প্রশ্নঃ তাহলে রাজনীতিটা বিশুদ্ধ করবেন কারা?
৫.মাশরাফি ও সাকিব ভালো ক্রিকেট খেলে শুধু এই জন্যই কি আমরা তাঁদের ভালবাসি?
তাঁদের ব্যক্তিত্ব, আচার-আচরণও বিবেচনা করে ভালবাসি কী?
এরকম নানা ধরনের মতামত ও প্রশ্ন সবার মাথায় ঘুরছে।
আসলে আমরা সবাই কি আমাদের দেশটাকে ভালবাসি?
হ্যাঁ,ভালবাসি।কেউ কম,কেউ বেশি।কেউ বা জানিনা যে কিভাবে বা কেন দেশকে ভালবাসব?
মাশরাফি বা সাকিবরা যদি আমাদের দেশের ১৬ কোটি জনগণের ভালবাসার পাত্র হয়ে থাকেন তাহলে তাঁরা আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বা যে দল থেকেই নির্বাচন করুক না কেন জনগনেরই সেবা করবে।
আওয়ামী লীগ না বিএনপিঃ এটা তাঁদের বিচক্ষণতা।
আসুন,আমরা ভাল মানুষ গুলোকে দেশের সেবক বা প্রতিনিধি বা নেতৃত্বে আহ্ববান জানাই,সাধুবাদ জানাই।
(সকল ধরনের ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী)

Saturday, May 5, 2018

বজ্রপাত (Bojropat)


বাংলাদেশে বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ার কারণ কি?
ব্জ্রপাত থেকে বাঁচবেন কিভাবে?
প্রতিবছর বজ্রপাতে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ২০০ মানুষ মারা যাচ্ছে। গত সাত বছরে বজ্রপাতে বাংলাদেশে মারা গেছে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ ।
চলতি বছর এই হার আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যৎ এ আরও বাড়বে।
বাংলাদেশে বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ার কারণ কি এ সম্পর্কে  আবহাওয়াবিদ তসলিমা ইমাম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন বজ্রপাত এটা প্রাকৃতিক একটি বিষয়, এটা সত্যি। তবে আমরা যেটা লক্ষ্য করছি, বর্তমানে বজ্রপাতের সংখ্যা কিন্তু বাড়ছে। বিশেষ করে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কিছু কিছু জায়গায় বজ্রপাত বেশি হয়। সে অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশও কিন্তু একটি।
আর যেহেতু, ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর আছে,এখান থেকে দক্ষিণা বাতাসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প চলে আসে। যে কারণে গ্রীষ্মকালে বিশেষ করে মার্চ, এপ্রিল, মে মাসে বাংলাদেশের উপরে প্রচুর বজ্রবৃষ্টির মেঘ তৈরি হয়। আর তা থেকে বজ্রঝড় হয়ে থাকে। এখানে একটি মজার বিষয় বলা যেতে পারে, সেটা হল পৃথিবীতে দিনে প্রায় ৮০ লক্ষ বার বজ্রপাত হয়।
তিনি  বলেন  যেহেতু জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন মানেই হচ্ছে যে, বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, যেটা আপনারা বিশ্ব আবহাওয়ার রিপোর্টে দেখেছেন এবং আমরাও আমাদের বাংলাদেশের ভিতরের যে বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা সেটাও আমরা বিগত ৪০-৫০ বছরের উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছি, সেখানে আমরা দেখেছি গড় তাপমাত্রা বাড়ছে। বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়ার সাথে বজ্র-বৃষ্টির ঝড়গুলো সৃষ্টি হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে এবং বাড়ার কারণেই এর সংখ্যা বেড়ে গেছে।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার বিশেষ কোনো উপায় আছে কিনা সে সম্পর্কে তিনি বলেন  প্রথমত: জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো এ জনসচেতনতা কীসের উপর বৃদ্ধি করব?
এখানে  আমাদের করনীয় কিছু বিষয় আছে যেগুলো আমাদের জানতে হবে এবং অন্যকে জানতে শেয়ার করুন।