OPEN FACE is blog where we share real information about a news or topic.Content are always true.
Tuesday, December 29, 2015
Thursday, December 3, 2015
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্দী দিবস ও বাংলাদেশ
আজ ০৩ ডিসেম্বর, ”আন্তর্জাতিক প্রতিবন্দী দিবস”
আমিও একজন প্রতিবন্দী।তাই সকল প্রতিবন্দীদের জীবন থেকে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর হোক এই আশাই করছি।
এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন হলো যে,প্রতিবন্দীরাও মানুষ এটা বিশ্বাস করতে হবে।
ধন্যবাদ,জনাব এ এইচ এম নোমান খান:নির্বাহী পরিচালক (সিডিডি) আপনার মূল্যবান সময় থেকে প্রতিবন্দীদের নিয়ে লেখার জন্য।
আমি আজ প্রথম আলো পত্রিকায় আপনার “প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায়” শিরোনামে লেখাটা পড়ে আপনাকে ধন্যবাদ পূর্বক একটু সমালোচনা করছি।
জনাব,
প্রথমত.প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায় আসলে কার এবং কেনো?
আমি অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেছি,তাই একটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কী এটা একটু বুঝি।যা সচল রাখতে আপনি কোন জনগোষ্ঠিকেই বাদ দিকত পারেন না। তাহলে নিশ্চয় দায়টা সরকারের!
কিন্তু আমি তা মনে করিনা।সরকার বা রাষ্ট্র শুধু উন্নয়নের ক্ষেত্র বা সুয়োগ তৈরি করবে এবং তা বাস্তবায়নে নির্দেশ দিবে।তা বাস্তবায়ন আপনাদের মত কর্তাগণ।আর আমরা প্রতিবন্দীরা সেই সুযোগ সেওয়ার জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবো।
কিন্তু অত্যান্ত দূ:খের বিষয় হলেও সত্য যেেআপনাদের মত কর্তাগণ প্রতিবন্দীদেরকে আপনাদের স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন মাত্র।
দ্বিতীয়ত.আপনার লেখায় শেষ লাইনে বলেছেন ,আজকের বাংলাদেশে প্রতিবন্দী মানুষ অক্ষম বা অভিশাপের ফসল নয়,তা জনমনে এখন অনেকটাই স্পষ্ট।
আমি নিম্নোক্ত কারনে আপনার সাথে একমত না :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ থাকলেও তা অনেক সরকারি ক্ষেত্রেই মানা হয়না।বেসরকারিতে তো প্রশ্নই আসেনা।
২.আজও বাংলাদেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বা কর্তা ব্যক্তি মনে করেন যে প্রতিবন্দী মানেই অক্ষম। আমি গত ৩ বছর আগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে এখনও কোন চাকরি পাইনি।প্রায় ১০০ এর মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভি পাঠাইয়া আজও কোন রেসপন্স পাইনি।কেনো?
আরও অনেক কিছু লেখার ছিলো।পরিশেষে এইটুকু বলতে চাই যেে আপনাদের মত মোড়লদের জন্য আজও আমার মত অনেক প্রতিবন্দীই বোঝা হয়ে আছে।
আমরা দয়া বা দান চাইনা,শুধু একটু সুযোগ চাই।যাতে পরিবার থেকে দেশ সবাই উপকৃত হবে।
প্লিজ,আসুন সবাই মিলে্ আমাদের দেশ টাকে এগিয়ে নিই।
আমিও একজন প্রতিবন্দী।তাই সকল প্রতিবন্দীদের জীবন থেকে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর হোক এই আশাই করছি।
এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন হলো যে,প্রতিবন্দীরাও মানুষ এটা বিশ্বাস করতে হবে।
ধন্যবাদ,জনাব এ এইচ এম নোমান খান:নির্বাহী পরিচালক (সিডিডি) আপনার মূল্যবান সময় থেকে প্রতিবন্দীদের নিয়ে লেখার জন্য।
আমি আজ প্রথম আলো পত্রিকায় আপনার “প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায়” শিরোনামে লেখাটা পড়ে আপনাকে ধন্যবাদ পূর্বক একটু সমালোচনা করছি।
জনাব,
প্রথমত.প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায় আসলে কার এবং কেনো?
আমি অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেছি,তাই একটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কী এটা একটু বুঝি।যা সচল রাখতে আপনি কোন জনগোষ্ঠিকেই বাদ দিকত পারেন না। তাহলে নিশ্চয় দায়টা সরকারের!
কিন্তু আমি তা মনে করিনা।সরকার বা রাষ্ট্র শুধু উন্নয়নের ক্ষেত্র বা সুয়োগ তৈরি করবে এবং তা বাস্তবায়নে নির্দেশ দিবে।তা বাস্তবায়ন আপনাদের মত কর্তাগণ।আর আমরা প্রতিবন্দীরা সেই সুযোগ সেওয়ার জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবো।
কিন্তু অত্যান্ত দূ:খের বিষয় হলেও সত্য যেেআপনাদের মত কর্তাগণ প্রতিবন্দীদেরকে আপনাদের স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন মাত্র।
দ্বিতীয়ত.আপনার লেখায় শেষ লাইনে বলেছেন ,আজকের বাংলাদেশে প্রতিবন্দী মানুষ অক্ষম বা অভিশাপের ফসল নয়,তা জনমনে এখন অনেকটাই স্পষ্ট।
আমি নিম্নোক্ত কারনে আপনার সাথে একমত না :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ থাকলেও তা অনেক সরকারি ক্ষেত্রেই মানা হয়না।বেসরকারিতে তো প্রশ্নই আসেনা।
২.আজও বাংলাদেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বা কর্তা ব্যক্তি মনে করেন যে প্রতিবন্দী মানেই অক্ষম। আমি গত ৩ বছর আগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে এখনও কোন চাকরি পাইনি।প্রায় ১০০ এর মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভি পাঠাইয়া আজও কোন রেসপন্স পাইনি।কেনো?
আরও অনেক কিছু লেখার ছিলো।পরিশেষে এইটুকু বলতে চাই যেে আপনাদের মত মোড়লদের জন্য আজও আমার মত অনেক প্রতিবন্দীই বোঝা হয়ে আছে।
আমরা দয়া বা দান চাইনা,শুধু একটু সুযোগ চাই।যাতে পরিবার থেকে দেশ সবাই উপকৃত হবে।
প্লিজ,আসুন সবাই মিলে্ আমাদের দেশ টাকে এগিয়ে নিই।
Sunday, November 22, 2015
প্রধানমন্ত্রী ও দায়িত্ববোধ। প্রসঙ্গ:প্রতিবন্দী
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম।আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সুস্হ আছেন।
আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্দী,হুইল চেয়ারে চলাচল করি।
আপনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,তাই আপনাকেই বলছি।২০০১ সালে আপনি প্রতিবন্দীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,
”প্রতিবন্দীরা বোঝা নয়,দেশের সম্পদ।ওরা পড়াশুনা করে চাকুরী করবে,দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
সরকার প্রতিবন্দীদের চাকুরীতে বিশেষ কোটা সুবিধা দিবে।”
ধন্যবাদ আপনাকে,সুন্দর এই স্বপ্ন দেখানোর জন্য।তাই আজ অবধি স্বপ্ন দেখছি।অনার্স ও মাস্টার্স শেষ প্রায় তিন বছর
হলেও আমি আজ অবধি বোঝাই রয়ে গেলাম।আর মাত্র কয়েক মাস পরেই হয়তো আমার স্বপ্নটাও শেষ হয়ে যাবে।
অতএব,আপনার কাছে প্রার্থণা করছি যে,আমাকে আমার যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করে আপনার দেখানো
স্বপ্নটা বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।
বিনীত,
মো:জুলফিকার হায়দার
আমি আপনার এবং দায়িত্ব পালনকারীদের অবগতির জন্য কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরছি :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ থাকলেও তা অনেক বিজ্ঞপ্তিতে মানা হয়না।যেমন,গত ০৮ নভেম্বরে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ মানা হয়নি।অথচ এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক।এরকম অনেক বিজ্ঞপ্তিতেই এই বয়সসীমা মানা হয়না।
২.প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দ বিশেষ কোটা কী শুধু আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
আমি প্রায় ১০০ চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি।লিখিত পরীক্ষায় উওীর্ণ হয়েও এখনো কোন চাকরি পাইনি।
আজ ২২ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত “স্নাতক পাস করলেও কাজ জুটছে না” শিরোনামে একজন প্রতিবন্দীর অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।এজন্য ধন্যবাদ প্রথম আলোকে।যদিও আমি অনেক চেষ্টা করেও প্রথম আলোকে আমার পাশে পায়নি।
প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোটা অনুযায়ী গত ১ বছরে কতজন প্রতিবন্দী নিয়োগ পেয়েছে এবং কতজন নিয়োগ পাওয়ার কথা।এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন,প্লিজ।
৩.প্রতিবন্দীরা অন্য সবার সাথে প্রতিযোগিতা করছে,অন্য সবার মতই কখনো ৪র্থ বা ৫ম তলায় উঠে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আবার প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে ঘাতক ব্যাধি দুর্নীতির ডাল-পালার সাথে,যারা মোবাইল এসএমএস ব্যবহার করছে,
প্রশ্ন ফাস করছে,ইত্যাদি।
পরিশেষে,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সকল কর্তাগণকে বলছি,কোন এক সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।আমিও অর্থনীতির ছাত্র।
প্রতিবন্দীদের কাজে লাগান,এরা অন্যরকম মেধাবী।প্রয়োজনে প্রতিবন্দীদের জন্য বছরে একটা আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিবেন।প্রতিবন্দী কোটা ও অন্যান্য সকল আইন পালনে নির্দেশ দিন এবং খোজ নিন।আপনার কাছে শুধু প্রতিবন্দীরাই নয়, সমগ্র জাতিই আশা করে আছে।আপনার যোগ্যতায় কোন সন্দেহ নাই।
এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ,পিছিয়ে থাকবে না প্রতিবন্দীরাও।
আল্লাহ হাফেজ।
আসসালামু আলাইকুম।আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সুস্হ আছেন।
আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্দী,হুইল চেয়ারে চলাচল করি।
আপনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,তাই আপনাকেই বলছি।২০০১ সালে আপনি প্রতিবন্দীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,
”প্রতিবন্দীরা বোঝা নয়,দেশের সম্পদ।ওরা পড়াশুনা করে চাকুরী করবে,দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
সরকার প্রতিবন্দীদের চাকুরীতে বিশেষ কোটা সুবিধা দিবে।”
ধন্যবাদ আপনাকে,সুন্দর এই স্বপ্ন দেখানোর জন্য।তাই আজ অবধি স্বপ্ন দেখছি।অনার্স ও মাস্টার্স শেষ প্রায় তিন বছর
হলেও আমি আজ অবধি বোঝাই রয়ে গেলাম।আর মাত্র কয়েক মাস পরেই হয়তো আমার স্বপ্নটাও শেষ হয়ে যাবে।
অতএব,আপনার কাছে প্রার্থণা করছি যে,আমাকে আমার যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করে আপনার দেখানো
স্বপ্নটা বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।
বিনীত,
মো:জুলফিকার হায়দার
আমি আপনার এবং দায়িত্ব পালনকারীদের অবগতির জন্য কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরছি :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ থাকলেও তা অনেক বিজ্ঞপ্তিতে মানা হয়না।যেমন,গত ০৮ নভেম্বরে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ মানা হয়নি।অথচ এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক।এরকম অনেক বিজ্ঞপ্তিতেই এই বয়সসীমা মানা হয়না।
২.প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দ বিশেষ কোটা কী শুধু আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
আমি প্রায় ১০০ চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি।লিখিত পরীক্ষায় উওীর্ণ হয়েও এখনো কোন চাকরি পাইনি।
আজ ২২ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত “স্নাতক পাস করলেও কাজ জুটছে না” শিরোনামে একজন প্রতিবন্দীর অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।এজন্য ধন্যবাদ প্রথম আলোকে।যদিও আমি অনেক চেষ্টা করেও প্রথম আলোকে আমার পাশে পায়নি।
প্রতিবন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোটা অনুযায়ী গত ১ বছরে কতজন প্রতিবন্দী নিয়োগ পেয়েছে এবং কতজন নিয়োগ পাওয়ার কথা।এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন,প্লিজ।
৩.প্রতিবন্দীরা অন্য সবার সাথে প্রতিযোগিতা করছে,অন্য সবার মতই কখনো ৪র্থ বা ৫ম তলায় উঠে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আবার প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে ঘাতক ব্যাধি দুর্নীতির ডাল-পালার সাথে,যারা মোবাইল এসএমএস ব্যবহার করছে,
প্রশ্ন ফাস করছে,ইত্যাদি।
পরিশেষে,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সকল কর্তাগণকে বলছি,কোন এক সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।আমিও অর্থনীতির ছাত্র।
প্রতিবন্দীদের কাজে লাগান,এরা অন্যরকম মেধাবী।প্রয়োজনে প্রতিবন্দীদের জন্য বছরে একটা আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিবেন।প্রতিবন্দী কোটা ও অন্যান্য সকল আইন পালনে নির্দেশ দিন এবং খোজ নিন।আপনার কাছে শুধু প্রতিবন্দীরাই নয়, সমগ্র জাতিই আশা করে আছে।আপনার যোগ্যতায় কোন সন্দেহ নাই।
এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ,পিছিয়ে থাকবে না প্রতিবন্দীরাও।
আল্লাহ হাফেজ।
Subscribe to:
Comments (Atom)