Thursday, December 3, 2015

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্দী দিবস ও বাংলাদেশ

আজ ০৩ ডিসেম্বর, ”আন্তর্জাতিক প্রতিবন্দী দিবস”
আমিও একজন প্রতিবন্দী।তাই সকল প্রতিবন্দীদের জীবন থেকে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর হোক এই আশাই করছি।
এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন হলো যে,প্রতিবন্দীরাও মানুষ এটা বিশ্বাস করতে হবে।

ধন্যবাদ,জনাব এ এইচ এম নোমান খান:নির্বাহী পরিচালক (সিডিডি)  আপনার মূল্যবান সময় থেকে প্রতিবন্দীদের নিয়ে লেখার জন্য।
আমি আজ প্রথম আলো পত্রিকায় আপনার  “প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায়” শিরোনামে লেখাটা পড়ে আপনাকে ধন্যবাদ পূর্বক একটু সমালোচনা করছি।
জনাব,
প্রথমত.প্রতিবন্দী মানুষের উন্নয়নের দায় আসলে কার এবং কেনো?
আমি অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেছি,তাই একটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কী এটা একটু বুঝি।যা সচল রাখতে আপনি কোন জনগোষ্ঠিকেই বাদ দিকত পারেন না। তাহলে নিশ্চয় দায়টা সরকারের!
কিন্তু আমি তা মনে করিনা।সরকার বা রাষ্ট্র শুধু উন্নয়নের ক্ষেত্র বা সুয়োগ তৈরি করবে এবং তা বাস্তবায়নে নির্দেশ দিবে।তা বাস্তবায়ন আপনাদের মত কর্তাগণ।আর আমরা প্রতিবন্দীরা সেই সুযোগ সেওয়ার জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবো।
কিন্তু অত্যান্ত দূ:খের বিষয় হলেও সত্য যেেআপনাদের মত কর্তাগণ প্রতিবন্দীদেরকে আপনাদের স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন মাত্র।
দ্বিতীয়ত.আপনার লেখায় শেষ লাইনে বলেছেন ,আজকের বাংলাদেশে প্রতিবন্দী মানুষ অক্ষম বা অভিশাপের ফসল নয়,তা জনমনে এখন অনেকটাই স্পষ্ট।
আমি নিম্নোক্ত কারনে আপনার সাথে একমত না :
১.প্রতিবন্দীদের চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ থাকলেও তা অনেক সরকারি ক্ষেত্রেই মানা হয়না।বেসরকারিতে তো প্রশ্নই আসেনা।
২.আজও বাংলাদেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বা কর্তা ব্যক্তি মনে করেন যে প্রতিবন্দী মানেই অক্ষম। আমি গত ৩ বছর আগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে এখনও কোন চাকরি পাইনি।প্রায় ১০০ এর মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভি পাঠাইয়া আজও কোন রেসপন্স পাইনি।কেনো?
আরও অনেক কিছু লেখার ছিলো।পরিশেষে এইটুকু বলতে চাই যেে আপনাদের মত মোড়লদের জন্য আজও আমার মত অনেক প্রতিবন্দীই বোঝা হয়ে আছে।
আমরা দয়া বা দান চাইনা,শুধু একটু সুযোগ চাই।যাতে পরিবার থেকে দেশ সবাই উপকৃত হবে।
প্লিজ,আসুন সবাই মিলে্ আমাদের দেশ টাকে এগিয়ে নিই।

No comments:

Post a Comment